গভীর রাতে নির্যাতিতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ ধর্ষণে অভিযুক্ত TMC নেতার বিরুদ্ধে

 

 

ধর্ষণের অভিযোগ থাকায় ৪৮ ঘণ্টা আগে তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সঙ্গে নাবালিকার পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। নিরাপত্তা তো নির্যাতিতার পরিবার পাননি, উলটে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে গভীর রাতে নির্যাতিতার বাড়িতে ঢিল ছোড়ার অভিযোগ। পুলিশি নিরাপত্তা না পেয়ে বাড়ি ছাড়ার কথা ভাবছেন নির্যাতিতার বাবা।

কাঁথির ওই নাবালিকার অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সহবাস করেন কাঁথির তৃণমূলের ছাত্রনেতা শুভদীপ গিরি। সেই ছবি ক্যামেরাবন্দি করে রাখে সে। সম্প্রতি সে নাবালিকাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। এর পর নাবালিকা তাঁকে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি মুছে ফেলতে বলে। অভিযোগ ছবি মোছার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত ১৪ অক্টোবর নাবালিকাকে দিঘার একটি হোটেলে নিয়ে যান শুভদীপ। সেখানে নাবালিকাকেকে ধর্ষণ করেন তিনি।

গত ১ নভেম্বর আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেন নাবালিকা। এর পর প্রকাশ্যে আসে গোটা ঘটনা। ১০ জানুয়ারি কাঁথি থানায় শুভদীপ গিরি ও তাঁর বাবা – মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ পকসো আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে।

এরই মধ্যে গত ১৯ জানুয়ারি পুলিশি তদন্তে অনাস্থা জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় নাবালিকার পরিবার। ২০ জানুয়ারি বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে মামলাটি ওঠে। বিচারপতি অভিযুক্তকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। সঙ্গে নির্যাতিতার পরিবারকে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

অভিযোগ সেই নির্দেশের ৪৮ ঘণ্টা পরেও আত্মসমর্পণ করেননি শুভদীপ গিরি। পুলিশি নিরাপত্তাও পাননি নাবালিকার পরিবার। আর সেই সুযোগে শনিবার গভীর রাতে নাবালিকার বাড়ি ইঁট মারে কেউ বা কারা। সঙ্গে হুমকি দিয়ে তারা বলে, ‘কী করতে পারিস দেখে নেব।’

নির্যাতিতার বাবার দাবি, নিরাপত্তার নামে আইন বাঁচাতে ১ জন কন্সটেবল বাড়ির সামনে নিয়োগ করা হয়েছে। যার ফলে নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন তিনি। তাই রবিবার সন্ধ্যার মধ্যে বাড়ি ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

 

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup