S Jaishankar: কারোর দুর্বলতার জন্য হাত থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, কাকে নিশানা জয়শঙ্করের!

কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বৃহস্পতিবার কার্যত নাম না করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরুকে আক্রমণ করলেন। সেই সঙ্গেই কংগ্রেস দলকেও তিনি একহাত নেন। তিনি জানান পাক  অধিকৃত কাশ্মীরে ভারত তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল তার অন্যতম কারণ হল কারোর দুর্বলতা বা ভুলের জন্য। 

বিশ্ববন্ধু ভারত শীর্ষক একটি ইভেন্টে বক্তব্য রেখেছিলেন জয়শঙ্কর। বিদেশমন্ত্রী সেখানে পরিস্কার জানিয়ে দেন, আমি মনে করি পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ। কারোর ভুল বা দুর্বলতার জন্য এটা অস্থায়ীভাবে আমাদের হাত থেকে বেরিয়ে যায়। 

সেই সঙ্গেই তিনি এই এলাকায় চিনের জড়িয়ে থাকার ব্যাপারটাও জানিয়ে দেন। তিনি জানিয়ে দেন, চিন বা পাকিস্তান কেউই এই এলাকায় তাদের সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারে না। কারণ এই এলাকাটি ভারত আগে থেকে তাদের বলে দাবি করে আসছে। 

একটা সময় চিনে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন জয়শঙ্কর। সেই অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি চিনে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলাম। আমি জানি চিনের অতীতের কাজকর্ম। ওরা পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করে…

তিনি বলেন, আমরা বার বার বলেছি পাকিস্তান বা চিন কেউই এই জায়গাটা তাদের বলে দাবি করতে পারে না। যদি এখানে কারোর সার্বভৌমত্বের দাবি থাকে সেটা হবে ভারতের। তোমরা এখানে দখল করছ, নির্মাণকাজ করছ, কিন্তু আইনত এই জায়গাটা আমাদের। 

১৯৬৩ সালের পাকিস্তান ও চিনের মধ্য়ে চুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাকিস্তান সেই সময় ওই এলাকার একটা বড় অংশ চিনের হাতে তুলে দিয়েছিল। এটাই হল তাদের বন্ধুত্ব। 

জয়শঙ্কর বলেন, ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান আর চিন তাদের বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রায় ৫০০০ কিমি চিনকে দিয়ে দিয়েছিল। তবে চায়নার এটা বলা দরকার জায়গাটা ভারতর নাকি পাকিস্তানের। আসলে কোনও কোনও সময় এভাবে জায়গা দখল করে নেয়…

তিনি বলেন, আমাদের অবস্থান খুব শক্তিশালী হওয়া দরকার। আমাদের নিজেদের প্রতি আস্থা থাকা দরকার। দশ বছর আগে কেউ এই ধরনের কথা বলতেন না। এখন একটা বদল এসেছে। এমনকী ভারতের সাধারণ মানুষও তাঁদের আস্থা ফিরে পেয়েছেন। 

এদিকে বিজেপির একাধিক নেতা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পেছনে কংগ্রেসের দুর্বলতাকে বার বার আঙুল নির্দেশ করছেন। বার বার কাঠগড়ায় তোলা হয় কংগ্রেসকে।