কীভাবে মহাসাগরকে বদলে দিচ্ছে বিষাক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস! লাইভ ভিডিয়ো দেখিয়ে চমকে দিল NASA

মানুষের হস্তক্ষেপের কারণে গ্রিনহাউস গ্যাসের ক্রমবর্ধমান প্রভাব চিন্তা বাড়াচ্ছে। পৃথিবীর মহাসাগরের অবস্থা ঝড়ের গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে। নাসা এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানাতে, একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছে, যা অত্যন্ত ভীতিকর মনে হতে পারে।

লাইভ ভিডিয়োর মাধ্যমে সমুদ্রের পরিবর্তন দেখাল নাসা

এই ভিডিয়োটি দেখিয়েছে যে কীভাবে মানুষের কার্যকলাপের কারণে, কারখানা এবং যানবাহন থেকে বেরিয়ে আসা নোংরা গ্যাসগুলি, সমুদ্রকে পরিবর্তন করে চলেছে। গ্রিনহাউস গ্যাস নিয়ে নাসা তার পোস্টে লিখেছে, আমাদের মহাসাগর বদলে যাচ্ছে। মার্কিন মহাকাশ সংস্থা জানিয়েছে, মানুষের ক্রিয়াকলাপে উৎপাদিত গ্যাসগুলি মহাসাগরকেই পাল্টে দিচ্ছে। ভিডিয়োতে বিশদভাবে, নাসা বলেছে যে বিভিন্ন রঙ সমুদ্রের পৃষ্ঠের স্রোতের গড় তাপমাত্রার প্রতিনিধিত্ব করে। লাল, কমলা এবং হলুদের মতো উষ্ণ রংগুলি উচ্চ তাপমাত্রা নির্দেশ করে এবং সবুজ এবং নীলের মতো শীতল রঙগুলি নিম্ন তাপমাত্রা নির্দেশ করে।

আরও পড়ুন: (Gaganayan: আগামী বছরের শেষেই…..গগনযান নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা জানাল ইসরো)

ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, গত কয়েক বছরে গ্রিনহাউস গ্যাসের কারণে পৃথিবীতে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। এই পোস্টটি প্রকাশ করার সময়, নাসা বলেছে, পৃথিবীর ৭০ শতাংশ জলে আচ্ছাদিত, তাই পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য মহাসাগরগুলি সবচেয়ে বেশি দায়ী। এ প্রসঙ্গে নাসা জানিয়েছে যে সংস্থাটি এই বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য গবেষণা করছে।

মানব জাতি হুমকির মুখে

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়া নাসার এই ভিডিয়োটি ১৪ লাখেরও বেশি বার দেখা হয়েছে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, আশ্চর্যজনক ডেটা এবং ভিজ্যুয়ালাইজেশন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, আমরা জলবায়ু নিয়ে যতটা ব্যয় করেছি, তার চেয়ে দুই বছরে আমরা কোভিডের জন্য বেশি ব্যয় করেছি। জলবায়ু পরিবর্তন একটি বিরাট বড় সমস্যা। কিন্তু কোনো দেশের সরকারই এ ব্যাপারে সিরিয়াস নয়। আরও একজন উদ্বিগ্ন হয়ে প্রশ্ন করে বসেছেন যে নাসা কি ব্যাখ্যা করতে পারে, আমাদের মহাসাগরগুলি কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হাতে আর কতটুকু সময় রয়েছে। অন্যজনের দাবি, বিশেষজ্ঞরা তাই বলছেন যে আজ ক্রমবর্ধমান গ্রিন হাউস গ্যাসের কারণে সমুদ্রের এই ভয়াবহ পরিবর্তন পৃথিবীতে এমনই প্রলয় ডেকে আনতে পারে, যা কল্পনার বাইরে।