Congress leader encourages stealing: ‘TMC নেতাদের বাড়িতে চুরি করুন’, হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে নেমে নিদান কংগ্রেস নেতার

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরেই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে তৎপর হতে দেখা যায় পুলিশ, প্রশাসন ও পুরসভাকে। তারপরই অবশ্য বিরোধিতায় সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। তারপরেও বেশকিছু জায়গায় এখনও অভিযান চলছে। মঙ্গলবারও বোলপুরের বিভিন্ন জায়গায় হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। তার প্রতিবাদে এদিন বোলপুর মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে কংগ্রেসের তরফে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সেই বিক্ষোভ থেকেই কংগ্রেস জেলা সভাপতি মিল্টন রশিদের নিদান ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আসলে তিনি বেকারদের চুরির নিদান দিয়েছেন। এনিয়ে পালটা কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।

আরও পড়ুন: উচ্ছেদের পর এবার হকারদের পুনর্বাসনের জন্য তৎপর পুরসভাগুলি, শুরু করল জমির খোঁজ

কী বলেছেন কংগ্রেস নেতা?

এদিন মিল্টন রশিদ বলেছেন, ‘হকারদের উচ্ছেদের কারণে রাজ্যে বেকারদের সংখ্যা বাড়ছে। এরফলে আগামী দিতে বাড়িতে বাড়িতে চুরির ঘটনা বাড়বে। কারণ বেকারদের যাওয়ার জন্য কোথাও জায়গা থাকবে না।’ এরপরই তিনি বলেন, ‘যদি চুরি করতে হয় তাহলে তৃণমূলের কাউন্সিলর, প্রধান, সদস্যদের বাড়ি, মহকুমা শাসক ও আইসির বাড়িতে চুরি করুন।’ দলের একজন কর্মকর্তা এরকম নিদান দেওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও মিল্টন পরে সাংবাদিদের মুখোমুখি হয়ে জানান, যে সমস্ত হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। তাছাড়া শাসক দলের যে সমস্ত নেতা কর্মীরা সরকারের জায়গা দখল করে রেখেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এদিনের কমসুচিতে উপস্থিত ছিলেন মহাকুমা কংগ্রেস সভাপতি তপন সাহা, শহর সভাপতি কিঙ্কর সাহা প্রমুখ।

এদিকে, প্রকাশ্যে কংগ্রেস নেতা চুরির নিদান দেওয়ায় তীব্র নিন্দায় সরব হয়েছে তৃণমূল। বীরভূম জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, উচ্ছেদের সঙ্গে বেকারত্ব বাড়ার কোনও সম্পর্ক নেই। তাছাড়া যেভাবে কংগ্রেস নেতা জন প্রতিনিধি এবং সরকারি আধিকারিকদের বাড়িতে চুরির নিদান দিচ্ছেন তা একেবারে ঠিক নয়। এটা ভুল বার্তা। এর পাশাপাশি সরকারের জায়গা দখল করে তৃণমূলের যে কার্যালয় ছিল তা ইতিমধ্যে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আরও যে সমস্ত কার্যালয় রয়েছে সেগুলিও দ্রুত ভেঙে দেওয়া হবে। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, সরকারি জমি দখল করে যেই থাকুক না কেন কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।