২৫০ দিন পর মাঠে নেমে হার দেখলেন মাশরাফি

পাক্কা ২৫০ দিন পর কোনও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন মাশরাফি মুর্তজা। লম্বা সময় পর বল হাতে নিয়ে প্রথম ওভারে উইকেট নিয়েই প্রত্যাবর্তন হয়েছিল তার। কিন্তু দিনশেষে মাশরাফির হাসি আর থাকেনি। ১২ বলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের প্রয়োজন ছিল ১৪ রানের। মাশরাফি ১৯তম ওভারে দুই ছক্কা আর এক চারে দিয়ে দিলেন ১৬ রান। আর তাতেই প্রথম ম্যাচে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বর্তমান রানার্সআপ সিলেট স্ট্রাইকার্সকে। 

শুক্রবার জাকির হাসানের ঝড়ো ৭০ রানে ভর করে সিলেট স্ট্রাইকার্স ১৭৭ রান সংগ্রহ করে। জবাবে খেলতে নেমে ৯ বল আগেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। যদিও ১৪ রানে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল তারা। এরপর আভিষ্কা ফার্নান্ডো (৩৯) ও ইমরানুজ্জামান (১১) মিলে ৪৩ রানের জুটি গড়েছিলেন। কিন্তু ২ রানের ব্যবধানে দুজন বিদায় নিলে ফের চাপে পড়ে চট্টগ্রাম। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে অভিষিক্ত শাহদাত হোসেন দীপু ও নাজিবুল্লাহ জাদরানের অবিচ্ছিন্ন ১২১ রানের জুটির ওপর দাঁড়িয়ে তারা জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। নিজের অভিষেক বিপিএল ম্যাচে দীপু ৩৯ বলে ৪ চার ও ৪ ছক্কায় খেলেন ৫৭ রানের ইনিংস। নাজিবুল্লাহ ৩০ বলে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন।

নিজের প্রথম বলে উইকেট পাওয়া মাশরাফি ২.৩ ওভার বোলিং করে খরচ করেন ২৫ রান। এছাড়া রিচার্ড এনগারাভা ও নাজমুল ইসলাম অপু একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

এর আগে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা জাকিরের ব্যাটে চড়ে ২ উইকেটে ১৭৭ রান করে সিলেট। ৩১ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে পঞ্চাশ করেন তিনি। পাওয়ার প্লেতে মোহাম্মদ মিঠুন ও নাজমুল হোসেন শান্ত উদ্বোধনী জুটিতে ৪৭ রান তোলেন। ৬৭ রানে ভাঙে তাদের জুটি। শান্ত ৩০ বলে ৭ চারে ৩৬ রানে নিহাদুজ্জামানের শিকার হন। মিঠুন হাফ সেঞ্চুরির আভাস দিলেও পারেননি। ২৮ বলে চারটি চার ও দুই ছয়ে ৪০ রানে কার্টিস ক্যাম্ফারের কাছে উইকেট হারান। তারপর জাকির ও হ্যারি টেক্টর ৮২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে খেলা শেষ করেন। ৪৩ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৭০ রানে অপরাজিত ছিলেন জাকির, ২৬ রানে খেলছিলেন টেক্টর।

চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে নিহাদুজ্জামান ও কার্টিস ক্যাম্পার একটি করে উইকেট নিয়েছেন।